আধুনিকা বনাম প্রগলভ
আধুনিক আর প্রগলভ এই দুটি শব্দ সমলিঙ্গে বেশ আলাদা হলেও আধুনিকা ও প্রগলভ শব্দদুটিকে বেশ কয়েকপ্রকারে অর্থগতভাবে সমঞ্জস হিসেবে দেখানো যেতে পারে। যদিও আধুনিকাদের প্রগলভতা যা নিয়ে বর্তমানে নব্য পুরুষ তথা পৌরুষবাদীরা বেশ সোচ্চার, তা এই লেখার উপজীব্য নয়। লেখার শুরুতে ব্যবহার করা দুটো শব্দের মাঝের সংযোজক অব্যয়ের ব্যবহার খানিকটা অশুদ্ধ হয়ে যাওয়াতেই এই বিপত্তি। সেটাকে বদলে ফেলতে পারলে হয়ত লেখাটা বেশ শুরু থেকে শুরু করা যেতে পারত। তবে, সংস্কৃতির ঐতিহ্যে পাঠকের মনের আকাশে গৌরচন্দ্রিকার চন্দ্রোদয় না হলে পাঠকের সঙ্গে লেখকের মধুচন্দ্রিমা-টা মাঠে মারা যায়, তাই এতগুলো বাড়তি অক্ষরের অবতারণা। এই লেখার শিরোনাম হওয়া উচিত “আধুনিকা বনাম প্রগলভ”। শেষ পর্যন্ত তাই-ই হয়ত হবে। কেননা তাহলেই একমাত্র পাঠকের কাছে পড়ার আগেই লেখার বিষয়টা একটা ঝাপসা হলেও অবয়ব পাবে। গোড়াতেই আধুনিকা বিষয়টা নিয়ে একটু কাটাছেঁড়া করা যাক। নারীবাদীরা এই কাটাছেঁড়ায় ধর্ষকাম ইত্যাদি খুঁজে পাওয়ার আগেই সে আলোচনা শেষ করতে হবে আর সেই সঙ্গে দিতে হবে লেখকের কৈফিয়ৎ। কলমের আগায় যতটুকু ধার, তাতে কোন রমণীর বস্ত্রহরণ ফন্দি শানায় না। আমার কাজ ...